Bell vows to bring the energy as England face Ireland’s call
টুর্নামেন্টের পরবর্তী চ্যালেঞ্জের অপেক্ষায় ইংল্যান্ড
নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে দুর্দান্ত সূচনা করেছে ইংল্যান্ড। তবে দলের পেসার লরেন বেল মনে করেন, এই জয় তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়ালেও সামনে এগিয়ে যাওয়ার পথটি সহজ নয়। বেল স্পষ্ট জানিয়েছেন, Bell vows to bring the energy as England face Ireland’s call, কারণ আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে তারা নতুন উদ্যমে শুরু করতে চায়।
অপরিচিত প্রতিপক্ষের বিপক্ষে প্রস্তুতি
মঙ্গলবার সাউদাম্পটনের হ্যাম্পশায়ার বোলে ইংল্যান্ড মুখোমুখি হবে আয়ারল্যান্ডের। পরিসংখ্যান বলছে, এই দুই দলের মধ্যে টি-টোয়েন্টিতে খুব বেশিবার দেখা হয়নি। বেলের মতে, অপরিচিত প্রতিপক্ষের বিপক্ষে লড়াই করাটা সবসময়ই চ্যালেঞ্জিং। তবে তিনি তার নিজস্ব শক্তির ওপর ভরসা রাখছেন। বেল বলেন, ‘আমি অস্ট্রেলিয়ার মতো দলের বিপক্ষে জানি কীভাবে বল করতে হয়। কিন্তু আয়ারল্যান্ডের ক্ষেত্রে একটু পড়াশোনার প্রয়োজন আছে। যদিও শেষ পর্যন্ত আমি আমার পরিকল্পনায় অটুট থাকব।’
গ্যাবি লুইস ও অরলা প্রেন্ডারগাস্টের হুমকি
আয়ারল্যান্ডের ব্যাটিং লাইনআপের মূল ভরসা অধিনায়ক গ্যাবি লুইস এবং অলরাউন্ডার অরলা প্রেন্ডারগাস্ট। মজার ব্যাপার হলো, লরেন বেলের সাথে একসময় ড্রেসিংরুম ভাগ করেছেন লুইস। তাদের দক্ষতার কথা স্বীকার করে বেল বলেন, ‘লুইস ও প্রেন্ডারগাস্ট বিশ্বমানের খেলোয়াড়। ম্যাচে তাদের প্রভাব কমাতে আমাদের বাড়তি মনোযোগ দিতে হবে।’
হোম গ্রাউন্ডে বেলের দাপট
সাউদাম্পটনের হ্যাম্পশায়ার বোল বেলের জন্য ঘরের মাঠের মতো। এখানে তার টি-টোয়েন্টি রেকর্ড ঈর্ষণীয়। তিনি এ মাঠে নারী টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি। বেল বলেন, ‘এখানে আমার পেশাদার ক্রিকেটের অনেক স্মৃতি রয়েছে। ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ খেলাটা সবসময়ই বিশেষ কিছু।’
নারীদের ক্রিকেটের নতুন রোল মডেল
ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের সুবাদে লরেন বেল এখন বিশ্বজুড়ে পরিচিত মুখ। তার ইনস্টাগ্রাম ফলোয়ার সংখ্যা ২০ লক্ষ ছাড়িয়েছে। বেল এই বাড়তি মনোযোগকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের ছোটবেলায় নারী ক্রিকেটারদের মধ্যে রোল মডেল পাওয়ার সুযোগ কম ছিল। এখন আমি সেই শূন্যতা পূরণ করতে চাই এবং তরুণ প্রজন্মের মেয়েদের ক্রিকেটে উৎসাহিত করতে চাই।’
পার্থক্যের কথা ভাবছে না ইংল্যান্ড
গতবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নেট রান রেটের মারপ্যাঁচে সেমিফাইনালে উঠতে পারেনি ইংল্যান্ড। তবে বর্তমান আসরে তারা শুরুটা ভালো করেছে। নেট রান রেট নিয়ে কোনো বাড়তি চাপ নিতে রাজি নন বেল। তিনি বলেন, ‘রান রেট আমাদের আলোচনার বিষয় নয়। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো ভালো ক্রিকেট খেলা এবং প্রতি ম্যাচ জেতা।’
দর্শকদের সমর্থন ও নতুন স্বপ্ন
উদ্বোধনী ম্যাচে প্রায় ১৫ হাজার দর্শক মাঠে উপস্থিত ছিল, যা দলের মনোবল অনেকাংশে বাড়িয়ে দিয়েছে। বেল বিশ্বাস করেন, সাউদাম্পটনেও একইভাবে দর্শকরা তাদের পাশে দাঁড়াবে। তিনি বলেন, ‘দর্শকদের সমর্থন আমাদের বাড়তি প্রেরণা যোগায়। গতবারের অভিজ্ঞতা থেকে আমরা জানি দেশের মাটিতে খেলতে কেমন লাগে। আশা করি, সামনের ম্যাচগুলোতেও আমরা এই সমর্থন পাব।’
ইংল্যান্ড দলের লক্ষ্য এখন আয়ারল্যান্ড ও স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে জয় নিশ্চিত করা। লরেন বেলের নেতৃত্ব ও তার পেস আক্রমণের ওপর ভরসা রেখে ইংলিশ ভক্তরা আবারও একটি বড় সাফল্যের স্বপ্ন দেখছে।