Australia bat first and recall Hardie in bid to wrap up T20I series
ম্যাচের প্রেক্ষাপট ও টস
চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অস্ট্রেলিয়া দলের অধিনায়ক মিচেল মার্শ। প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয় টসে জিতে ব্যাটিং নিয়েছিলেন, তবে এবার মার্শ ভিন্ন পথে হাঁটলেন। প্রথম ম্যাচটি চার উইকেটে জিতে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে আছে অস্ট্রেলিয়া। আজকের জয়টি তাদের জন্য সিরিজ নিশ্চিত করার দারুণ সুযোগ।
দলের পরিবর্তনের খবর
অস্ট্রেলিয়া তাদের একাদশে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে। হাভিয়ের বার্টলেটের পরিবর্তে দলে নেওয়া হয়েছে অলরাউন্ডার অ্যারন হার্ডিকে। হার্ডিকে দলে অন্তর্ভুক্ত করার মূল উদ্দেশ্য হলো ব্যাটিং গভীরতা বাড়ানো। গত আগস্টে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলার পর এটিই হার্ডির প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ। এছাড়া নিখিল চৌধুরী এবং জোয়েল ডেভিস, যারা প্রথম ম্যাচে অভিষেক করেছিলেন, তারা আবারও নিজেদের প্রমাণ করার সুযোগ পাচ্ছেন।
অন্যদিকে, স্বাগতিক বাংলাদেশ দলে এসেছে দুটি পরিবর্তন। শরিফুল ইসলাম এবং মেহেদী হাসানকে বিশ্রাম দিয়ে একাদশে জায়গা দেওয়া হয়েছে পেসার নাহিদ রানা এবং বাঁহাতি স্পিনার নাসুম আহমেদকে। নাহিদ রানার এটি ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচ, এর আগে তিনি প্রায় এক বছর আগে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে খেলেছিলেন। নিয়মিত অধিনায়ক লিটন দাসের অনুপস্থিতিতে আজও দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন তাওহীদ হৃদয়।
উভয় দলের একাদশ
বাংলাদেশ একাদশ: সাইফ হাসান, তানজিদ হাসান, সৌম্য সরকার, পারভেজ হোসেন ইমন (উইকেটরক্ষক), তাওহীদ হৃদয় (অধিনায়ক), শামীম হোসেন, আব্দুল গাফফার সাকলাইন, রিশাদ হোসেন, নাসুম আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান এবং নাহিদ রানা।
অস্ট্রেলিয়া একাদশ: মিচেল মার্শ (অধিনায়ক), জশ ইংলিস (উইকেটরক্ষক), কুপার কনোলি, ম্যাট রেনশ, টিম ডেভিড, নিখিল চৌধুরী, জোয়েল ডেভিস, অ্যারন হার্ডি, নাথান এলিস, অ্যাডাম জাম্পা এবং স্পেন্সার জনসন।
সিরিজের গুরুত্ব
এই ম্যাচটি উভয় দলের জন্যই অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। অস্ট্রেলিয়া চাইছে সিরিজটি দ্রুত নিজেদের মুঠোয় নিতে, যাতে শেষ ম্যাচের চাপ না থাকে। অন্যদিকে, বাংলাদেশ দলের জন্য এটি সিরিজ সমতায় ফেরানোর লড়াই। তরুণ খেলোয়াড়দের নিয়ে গঠিত এই বাংলাদেশ দল কতটা শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়ার বোলিং আক্রমণের বিপক্ষে লড়াই করতে পারে, সেটাই এখন দেখার বিষয়। চট্টগ্রাম স্টেডিয়ামের উইকেট সাধারণত ব্যাটিংয়ের জন্য সহায়ক হয়, তবে দুই দলের বোলাররাই আজ নতুন বলে প্রভাব ফেলতে মরিয়া। স্পিনারদের ভূমিকাও এই ম্যাচে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে, বিশেষ করে নাসুম আহমেদের মতো অভিজ্ঞদের অন্তর্ভুক্তি বাংলাদেশের বোলিং লাইনআপকে বাড়তি শক্তি যোগাবে।
অস্ট্রেলিয়া তাদের ব্যাটিং গভীরতা বাড়াতে যে কৌশল নিয়েছে, তা তাদের মিডল অর্ডারে স্থিতিশীলতা দেবে। টিম ডেভিড এবং নিখিল চৌধুরীর মতো পাওয়ার হিটাররা শেষ দিকে বড় লক্ষ্য নির্ধারণে সহায়তা করতে পারেন। সব মিলিয়ে, একটি রোমাঞ্চকর লড়াইয়ের অপেক্ষায় ক্রিকেট বিশ্ব।