England bowl and hand debut to Corteen-Coleman; Harmanpreet rested – ভারত বনাম ইংল্যান্ড প্রথম টি-টোয়েন্টি: টসে জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত ইংল্যান্ডের
চেমসফোর্ডে নতুন শুরুর অপেক্ষায় ভারত ও ইংল্যান্ড
চেমসফোর্ডে ইংল্যান্ড এবং ভারত মহিলা ক্রিকেট দলের মধ্যকার সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের আগ্রহ ছিল তুঙ্গে। টস ভাগ্য সহায় ছিল ইংল্যান্ডের। সফরকারী ভারতের বিপক্ষে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন স্বাগতিক অধিনায়ক। বিশ্বমঞ্চের লড়াইয়ের আগে এই সিরিজটি উভয় দলের জন্যই শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
হারমানপ্রীতের অনুপস্থিতি ও ভারতীয় দলের কৌশল
ভারতীয় দলে আজ বড় চমক ছিল অধিনায়ক হারমানপ্রীত কৌরের অনুপস্থিতি। তবে আশঙ্কার কিছু নেই, স্মৃতি মান্ধানা নিশ্চিত করেছেন যে এটি কোনো চোটজনিত সমস্যা নয়, বরং তাকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে। ম্যাচ শুরুর আগে টস পর্বে মান্ধানা বলেন, ‘তিনি (হারমানপ্রীত) আজ বিশ্রাম নিচ্ছেন। দ্বিতীয় ম্যাচের আগেই তিনি পুরোপুরি ফিট হয়ে দলে ফিরবেন বলে আশা করছি।’ হারমানপ্রীতের অনুপস্থিতিতে ভারতীয় দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন স্মৃতি মান্ধানা। এছাড়া এই ম্যাচে ভারতের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয়েছে ২৪ বছর বয়সী ফাস্ট বোলার নন্দিনী শর্মার। দীর্ঘ বিরতির পর ইয়স্তিকা ভাটিয়াকে তিন নম্বর পজিশনে ব্যাট করতে দেখা যেতে পারে, যা ভারতীয় ব্যাটিং অর্ডারে নতুন সমীকরণ যোগ করবে।
ইংল্যান্ড দলে নতুন মুখ ও নজির
অন্যদিকে ইংল্যান্ড দলে আজকের ম্যাচে অভিষেক হয়েছে ১৮ বছর বয়সী তরুণ স্পিনার টিলি কর্টিন-কোলেমানের। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে মুগ্ধ করার পর টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটেও তিনি সুযোগ পেলেন। তার অন্তর্ভুক্তিতে দল থেকে বাদ পড়েছেন লিনসি স্মিথ। বোলিং আক্রমণে সোফি একলেস্টোনের সাথে জুটি বাঁধবেন কর্টিন-কোলেমান। এছাড়া ইনজুরি কাটিয়ে দলে ফিরেছেন লরেন বেল। তবে আজকের ম্যাচটি ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হেদার নাইটের জন্য বিশেষভাবে স্মরণীয়। তিনি ইংল্যান্ডের জার্সি গায়ে সব ফরম্যাট মিলিয়ে সর্বোচ্চ ৩১০টি ম্যাচ খেলার নজির গড়লেন, যা শার্লট এডওয়ার্ডসের ৩০৯টি ম্যাচের রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেল।
ব্যাটিং অর্ডারে পরিবর্তন
ইংল্যান্ডের ব্যাটিং লাইনআপেও কিছু রদবদল দেখা গেছে। এমি জোন্সকে তিন নম্বরে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে ড্যানি ওয়াট-হজ মাতৃত্বকালীন ছুটি শেষে দ্বিতীয় ম্যাচ থেকে দলে ফেরার অপেক্ষায় আছেন। সব মিলিয়ে এক নতুন ও পরীক্ষিত ভারসাম্য নিয়ে মাঠে নেমেছে দুই দলই। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং মেঘলা দিনে বাতাসের উপস্থিতিতে পেসাররা বাড়তি সুবিধা পেতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
উভয় দলের একাদশ
ভারত: স্মৃতি মান্ধানা (অধিনায়ক), শেফালি ভার্মা, ইয়স্তিকা ভাটিয়া, জেমিমাহ রদ্রিগেজ, ভারতী ফুলমালি, রিচা ঘোষ (উইকেটকিপার), দীপ্তি শর্মা, অরুন্ধতী রেড্ডি, এন শ্রী চারণি, নন্দিনী শর্মা, ক্রান্তি গাউড।
ইংল্যান্ড: সোফিয়া ডাঙ্কলি, এলিস ক্যাপসি, এমি জোন্স, হেদার নাইট, ফ্রেয়া কেম্প, দানি গিবসন, চার্লি ডিন (অধিনায়ক), ইসি ওং, সোফি একলেস্টোন, লরেন বেল, টিলি কর্টিন-কোলেমান।
সিরিজের এই প্রথম ম্যাচটি উভয় দলের শক্তি ও দুর্বলতা যাচাই করার এক বড় সুযোগ। হারমানপ্রীতের অনুপস্থিতিতে ভারতীয় তরুণীরা কেমন পারফরম্যান্স প্রদর্শন করে, সেটাই এখন দেখার বিষয়। অন্যদিকে, অভিজ্ঞ হেদার নাইটের নেতৃত্বে ইংল্যান্ড তাদের ঘরের মাঠে জয়ের ধারা বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর।