Ishan Kishan Brushed Aside In SRH Dressing Room, Other Players Roll On The Floor
আইপিএল ২০২৬: হায়দ্রাবাদ ড্রেসিংরুমের এক মজার কাহিনী
আইপিএল মানেই মাঠের লড়াই আর মাঠের বাইরের নানা নাটকীয় মুহূর্ত। সম্প্রতি সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের (SRH) ড্রেসিংরুমে এমন একটি ঘটনা ঘটেছে যা সতীর্থদের হাসির খোরাক জুগিয়েছে। ঘটনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন তারকা ব্যাটার ইশান কিষাণ। যদিও শিরোনামে উঠে এসেছে, Ishan Kishan Brushed Aside In SRH Dressing Room, Other Players Roll On The Floor, কিন্তু এর পেছনে লুকিয়ে আছে এক ভুল বোঝাবুঝির মজার ইতিহাস।
ঘটনাটি ঠিক কী হয়েছিল?
ঘটনার সূত্রপাত ২২ মে, উপ্পল স্টেডিয়ামে আরসিবির বিরুদ্ধে ম্যাচ চলাকালীন। সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ প্রথমে ব্যাট করে ২৫৫ রানের বিশাল স্কোর দাঁড় করায়। সেই ম্যাচে ইশান কিষাণ ৪৬ বলে ৭৯ রানের একটি দুর্দান্ত ইনিংস উপহার দেন। স্বাভাবিকভাবেই, ম্যাচ শেষে ড্রেসিংরুমে ‘বেস্ট পারফর্মার’ পুরস্কারের জন্য ইশান নিজের নাম শোনার অপেক্ষায় ছিলেন।
কোচিং স্টাফ যখন নাম ঘোষণা করতে শুরু করেন, তখন ‘ইশান’ শব্দটি শুনেই ইশান কিষাণ আনন্দের আতিশয্যে উঠে দাঁড়ান। কিন্তু মুহূর্তের মধ্যে তার ভুল ভাঙে। আসলে কোচিং স্টাফ ‘ইশান কিষাণ’ নয়, বরং ‘ইশান মালিঙ্গা’-র নাম ঘোষণা করেছিলেন। নাম দুটির উচ্চারণে মিল থাকায় তৈরি হয় এই বিভ্রান্তি। নিজের ভুল বুঝতে পেরে ইশান কিষাণ লজ্জা পেয়ে হাসিমুখে বসে পড়েন, যা দেখে পুরো ড্রেসিংরুম হাসিতে ফেটে পড়ে।
ইশান মালিঙ্গা কেন পুরস্কার পেলেন?
যদিও ইশান কিষাণ ব্যাট হাতে অসাধারণ খেলেছিলেন, কিন্তু বোলিংয়ে ইশান মালিঙ্গার অবদানও কম ছিল না। তিনি ৪ ওভারে মাত্র ৩৩ রান দিয়ে ভেঙ্কটেশ আইয়ার এবং দেবদূত পাডিকালের মতো গুরুত্বপূর্ণ দুই উইকেট শিকার করেছিলেন। দলের প্রয়োজনে এই বোলিং পারফরম্যান্সই তাকে সেরার পুরস্কার এনে দেয়। ম্যাচটিতে আরসিবি ২০ রান করতে পারলেও হায়দ্রাবাদের ৫৫ রানের জয় আটকানো সম্ভব হয়নি।
ইশান কিষাণের সামগ্রিক প্রভাব
ড্রেসিংরুমের এই ছোটখাটো ঘটনা বা পুরস্কারের চেয়েও ইশান কিষাণের অবদান অনেক বড়। চলতি আইপিএল ২০২৬ মৌসুমে তিনি ১৪টি ম্যাচ খেলে ৪০.৬৪ গড়ে মোট ৫৬৯ রান করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে ছয়টি অর্ধশতক। অধিনায়ক প্যাট কামিন্স যখন দলের বাইরে ছিলেন, তখন ইশান কিষাণ দলের হাল ধরে জয় নিশ্চিত করতে বড় ভূমিকা পালন করেছিলেন।
উপসংহার
ড্রেসিংরুমের এই হাসি-ঠাট্টা দলের সতীর্থদের মধ্যে বন্ধন আরও দৃঢ় করে। ইশান কিষাণ হয়তো সেই পুরস্কারটি পাননি, কিন্তু তার পারফরম্যান্স দলের সাফল্যের মূল ভিত্তি হয়ে দাঁড়িয়েছে। মাঠে তার আগ্রাসী মনোভাব এবং দলের প্রয়োজনে জ্বলে ওঠার ক্ষমতা তাকে সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের অন্যতম সেরা সম্পদ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। এমন ছোটখাটো ভুল বোঝাবুঝি খেলার মাঠের প্রাণশক্তিকে আরও বাড়িয়ে দেয়, যা দর্শক ও খেলোয়াড় উভয়কেই নির্মল আনন্দ দেয়।
ক্রিকেটের এই রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে ইশান কিষাণের মতো খেলোয়াড়দের উপস্থিতি দলকে সবসময় জয়ের স্বপ্ন দেখায়। যদিও এই প্রতিবেদনে আমরা মাঠের বাইরের মজার দিকটি তুলে ধরেছি, তবে মাঠের ভেতরে ইশানের ধারাবাহিকতা বজায় থাকাই ভক্তদের মূল প্রত্যাশা।