Tribe, Mayes notch centuries but South Africa A hone in on victory
ম্যাচের প্রেক্ষাপট ও লড়াইয়ের চিত্র
অরুণডেলের তপ্ত রোদে ক্রিকেট প্রেমীরা দেখেছেন এক জমজমাট লড়াই। একদিকে ইংল্যান্ড লায়ন্সের তরুণ ব্যাটারদের দৃঢ়তা, অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকা এ দলের বোলারদের দাপট। ম্যাচের বর্তমান পরিস্থিতি অনুযায়ী, Tribe, Mayes notch centuries but South Africa A hone in on victory—এই শিরোনামটিই যেন ম্যাচের সারসংক্ষেপ। ইংল্যান্ড লায়ন্স প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৫৭ রানে গুটিয়ে গেলেও দ্বিতীয় ইনিংসে তারা ৩৮৭ রান সংগ্রহ করে লড়াইয়ে ফিরেছিল। তবে শেষ পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকা জয়ের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে।
আসা ট্রাইব ও বেন মেসের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি
ইংল্যান্ডের আশার প্রতীক হিসেবে পরিচিত আসা ট্রাইব এবং ১৮ বছর বয়সী বেন মেস অবিশ্বাস্য ব্যাটিং নৈপুণ্য প্রদর্শন করেন। ট্রাইব ১৩৫ রানের একটি চমৎকার ইনিংস খেলেন, যেখানে তার ধৈর্য এবং নিখুঁত শট সিলেকশন ছিল দেখার মতো। অন্যদিকে, বেন মেস তার ক্যারিয়ারের প্রথম ফার্স্ট ক্লাস সেঞ্চুরি তুলে নেন ১০৫ রানের মাধ্যমে। তাদের মধ্যকার ১৮৯ রানের পার্টনারশিপ ইংল্যান্ড লায়ন্সকে ম্যাচে ফিরিয়ে এনেছিল। মেস এর আগে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ১৯১ রানের রেকর্ড ইনিংস খেলে নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছিলেন।
সাউথ আফ্রিকা এ দলের বোলিং তোপ
ম্যাচের এক পর্যায়ে ইংল্যান্ড লায়ন্স ৩২২ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বেশ সুবিধাজনক অবস্থানে ছিল। কিন্তু সেখান থেকেই শুরু হয় বিপর্যয়। দক্ষিণ আফ্রিকার পেসারদের তোপে মাত্র ৬৫ রানের ব্যবধানে ইংল্যান্ড তাদের শেষ ছয় উইকেট হারায়। ডেন প্যাটারসন এবং এনকোবানি মোকোনার বোলিং আক্রমণ সামলাতে ব্যর্থ হয় লায়ন্সের লোয়ার অর্ডার। সামগ্রিকভাবে সাউথ আফ্রিকার বোলাররা প্রচণ্ড গরমেও ২০ ওভারের বেশি বোলিং করে নিজেদের দক্ষতা প্রমাণ করেছেন।
জয়ের পথে দক্ষিণ আফ্রিকা এ
ইংল্যান্ড লায়ন্সকে ৩৩৮ রানে অলআউট করার পর জয়ের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকা এ দলের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ২১৪ রানের। দিনের শুরুতে মিচেল স্ট্যানলি টনি ডি জর্জিকে সাজঘরে ফিরিয়ে ইংল্যান্ডের জন্য কিছুটা আশার আলো জ্বালালেও, জর্ডান হারমান (৪১*) এবং লেসেগো সেনোকওয়ানে (৫১*) সেই চাপ সামলে নেন। দিনের শেষে দক্ষিণ আফ্রিকা ১ উইকেটে ১২২ রান তুলেছে। জয়ের জন্য তাদের এখন প্রয়োজন মাত্র ৯২ রান।
পরবর্তী সম্ভাবনা
অরুণডেলের পিচে ব্যাটিং করা বেশ চ্যালেঞ্জিং ছিল, কিন্তু সাউথ আফ্রিকার ব্যাটাররা তাদের নিয়ন্ত্রিত ব্যাটিংয়ের মাধ্যমে ম্যাচ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছেন। ইংল্যান্ড লায়ন্স যদি আগামীকাল সকালে দ্রুত উইকেট তুলে নিতে না পারে, তবে দক্ষিণ আফ্রিকার জয় সময়ের ব্যাপার মাত্র। ক্রিকেট ভক্তদের নজর থাকবে ম্যাচের শেষ দিনের দিকে, যেখানে দেখার বিষয় ইংল্যান্ড লায়ন্স কোনো মিরাকল ঘটাতে পারে কি না, নাকি দক্ষিণ আফ্রিকা অনায়াসেই জয়ের বন্দরে পৌঁছায়।
এই ম্যাচে ট্রাইব এবং মেসের সেঞ্চুরিগুলো দীর্ঘমেয়াদে তাদের ক্যারিয়ারের জন্য বড় প্রাপ্তি। বিশেষ করে ইংল্যান্ডের নির্বাচকদের নজরে থাকা আসা ট্রাইবের এই ইনিংস তাকে ভবিষ্যতের জাতীয় দলের ভাবনায় আরও জোরালোভাবে উপস্থাপন করবে। সব মিলিয়ে, এই ম্যাচটি তরুণ ক্রিকেটারদের জন্য একটি অগ্নিপরীক্ষা ছিল, যা থেকে তারা অনেক গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা লাভ করেছে।